Category Archives: নগর জীবন

চিকিৎসাসেবা বন্ধ বিএসএমএমইউতে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি হাসপাতাল) প্রো-ভিসি ও প্রক্টর সমর্থক চিকিৎসকদের দ্বন্দ্বে বন্ধ রয়েছে চিকিৎসাসেবা। যা বাংলাদেশের একমাত্র মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে চিকিৎসা দেয়া বন্ধ রেখে বিএসএমএমইউ চত্বরের ভেতরের বটতলায় পাল্টাপাল্টি মিছিল ও সমাবেশ করেছেন দুই গ্রুপের চিকিৎসকরা। নার্স নিয়োগ এবং ভিসি, প্রো-ভিসি এবং প্রক্টরের মধ্যকার বিবাদকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বড় ধরনের ঝামেলা ঠেকাতে এবং দ্রুত চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করতে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করছেন বিএসএমএমইউয়ের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবদুল্লাহ আল হারুন।

গত বৃহস্পতিবার ভিসির কক্ষে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সভায় নতুন নার্স নিয়োগে অনিয়মের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার একপর্যায়ে প্রো-ভিসি মো. হাবিবুর রহমান ও প্রক্টর এ এস এম জাকারিয়ার মধ্যে বাগ-বিতণ্ডা শুরু হয়। এ এস এম জাকারিয়া ভিসির বিরূদ্ধে তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তার অভিযোগ করলেও ভিসি কামরুল হাসান খান তা অস্বীকার করেন।

এরপর থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল বিএসএমএমইউতে। শুক্রবার এ নিয়ে বৈঠকে বসেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ও আওয়ামী লীগ-সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতারা। কিন্তু এতে কোনো কাজ হয়নি।

ইজতেমার পাশে তুলার গুদামে আগুন

টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার খুব কাছেই টঙ্গীর মিলগেইট নামাবাজার এলাকার তুলার গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট। আগুনের সূত্রপাত এখনো জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও সিডিল ডিফেন্স অধিদফতরের ডিউটি অফিসার পলাশ চন্দ্র মদক জানান, আগুনের সংবাদে প্রাথমিকভাবে ৬টি ইউনিট পাঠানো হয়েছে। গাজীপুর ও টঙ্গী থেকে আরো ৭টি ইউনিট পাঠানো হচ্ছে।

আভিজাত্য কেন রাস্তায়? সাধারণের আতঙ্ক

বিকট শব্দ। চোখের পলকে উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টর থেকে আব্দুল্লাহপুর দিয়ে চলে যায় দুটি বিলাসবহুল গাড়ি। হিন্দি গানের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে অনেক দূর থেকে। কোনো পরোয়া নেই চালকদের। কারণ, তারা অভিজাত পরিবারের সন্তান। রাস্তা কাঁপিয়ে হইহুল্লোড় করতে করতে বিলাসবহুল গাড়ি চালায় তারা। প্রতিরাতেই এরকম দৃশ্য চোখে পড়ে উত্তরা, গুলশান, বনানীসহ অভিজাত এলাকায়। রাত গভীর হলেই অভিজাত এলাকা থেকে শুরু করে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে নামে এসব গাড়ি।

তাদের এমন গতিতে গাড়ি চালানোয় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে নগর পরিবহনের অন্য চালকরাও। বিকট হর্ন বাজানো শুরু হয় বেশ দূর থেকেই। এসব গাড়ি এখন রাতের নগরীর আতঙ্ক। দ্রুতগতির এসব গাড়ির কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। ভয়ে থাকেন পথচারী, রিকশাচালক, সিএনজি অটোরিকশা চালকরা। উত্তরা জসিম উদ্দিন মোড় সংলগ্ন এক নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা শামীম হোসেন জানান, রাত ১টার পরই বদলে যায় উত্তরার রাজপথের পরিবেশ। অনেকটা নীরব। রাস্তাঘাটে লোকজন কম। দোকানগুলো প্রায় বন্ধ। শামীম বলেন, তখনই প্রতিযোগিতা করে গাড়ি ড্রাইভিংয়ে রাস্তায় নামে বিত্তশালী পরিবারের বখে যাওয়া সন্তানরা। তারা অনেকেই তখন মাতাল থাকে। শুধু শামীমই নন, অভিজাত এলাকার বিলাসী জীবনযাপনে অভ্যস্ত বখে যাওয়া কিশোর-তরুণদের বিপথগামী কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ সেখানকার বাসিন্দারা।

রাতের আঁধারে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিলাসবহুল এসব গাড়ি যারা চালান তাদের ক্ষেত্রে অনেকটাই অসহায় পুলিশ। এমনটিই বললেন উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী হোসেন খান। তিনি বলেন, ওরা এত দ্রুতগতিতে গাড়ি ড্রাইভ করে যে, ওই গাড়ি থামাতে গেলে পুলিশের প্রাণও যেতে পারে। তারা রেসিং কার চালায়। দ্রুতগতির এসব গাড়ির ধারে কাছে যাওয়ারও সুযোগ নেই পুলিশের। এসব গাড়ি ধরতে গেলে পুলিশেরও সেই ধরনের গাড়ি দরকার। তাছাড়াও তারা প্রত্যেকেই প্রভাবশালী পরিবারের। কিশোর-তরুণ। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে নানা সমস্যা রয়েছে বলে জানান তিনি। বেপরোয়া এসব বিলাসী চালকদের জন্য উত্তরার রাস্তা ওয়ান ওয়ে করা হচ্ছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে তা করা হবে শিগগিরই। এতে রাত ১০টার পর উত্তরায় ঢুকতে একটি রাস্তা এবং বের হতে একটি রাস্তা ব্যবহার করা হবে। অন্য রাস্তাগুলো রাতে বন্ধ থাকবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

রাতের বেলায় তারকা হোটেল থেকে বের হয়ে অধিকাংশ গাড়ি দ্রুতগতিতে চালানো হয়। মহাখালী মোড়ে রিকশাচালক আনোয়ার জানান, রাত গভীর হলে কিছুক্ষণ পরপরই দ্রুতগতির গাড়ি গুলশান ও বনানী থেকে বের হয়। রাতে অনেক সাবধানে রিকশা চালান তিনি। তারপরও থার্টিফার্স্ট নাইটে একটি দ্রুতগতির গাড়ির ধাক্কায় রাস্তার পাশে থামানো রিকশাটি তার ভেঙে গেছে। ওই গাড়িতে থাকা তরুণ-তরুণীরা হইহুল্লোড় করছিল। আনোয়ার বলেন, ভাগ্য ভালো যে আমি তখন রিকশায় ছিলাম না। থাকলে আমি হয়তো বাঁচতাম না। গাড়িগুলো অভিজাত এলাকা থেকে শুরু করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রবশে করে রাত গভীর হলে। এ বিষয়ে ট্রাফিক তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রাজীব দাশ বলেন, দ্রুতগতির গাড়ি এমনকি রেসিং কার প্রায়ই গুলশান-বনানী থেকে হাতিরঝিল হয়ে কাওরানবাজার মোড় দিয়ে এদিকে ঢুকে। গাড়িগুলো ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকায় আসা-যাওয়া করে। এ বিষয়ে শিগগিরই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও যেসব গাড়ি বেপরোয়াভাবে চালানো হয় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় বলে জানান তিনি। গত ৯ই জানুয়ারি দিবাগত রাতে একটি দ্রতগতির গাড়ির ধাক্কার শিকার হন প্রথম শ্রেণির একটি জাতীয় দৈনিকের আলোকচিত্রী জিয়া ইসলাম। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দেশের বাইরে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ঘটনাটি ঘটে পান্থপথে। জিয়া ইসলামকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। বেপরোয়া গতির গাড়িটি চালাচ্ছিলেন কল্যাণ কোরাইয়া নামে এক মডেল। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কল্যাণ তখন মাতাল ছিলেন। পেশাগত কাজ শেষে প্রায়ই মাতাল হয়ে ধানমন্ডি, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক গাড়ি ড্রাইভ করেন তিনি। এ ঘটনায় কল্যাণ বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। বেপরোয়া গাড়ি চালকদের কারণে আহত, নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটলেও দায়ীদের তেমন কোনো শাস্তি হয় না। নিরীহ মানুষের প্রাণ ঝরছেই। গত ৫ই ডিসেম্বর রাত ২টার ঘটনা। বেপরোয়া গতির একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাথে ওঠে প্রাণ কেড়ে নেয় দুই ছিন্নমূল নারীর। নিহতরা হলেন হাসিনা ও শাহেরা। ঘটনাস্থল রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন সড়কের ফুটপাথ। সেখানে ঘুমিয়েছিলেন এই দুই নারী। গাড়ি থেকে শাওন নামের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে আটক করে পুলিশ। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জানান, গাড়ি যে চালাচ্ছিলো সে এখনো পলাতক। অন্যরা আদালত থেকে জামিন নিয়েছে।

গত বছরের ১লা জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা কড়াকড়ি হলেও দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো এখনও নিত্যদিনের ঘটনা। বাসিন্দারা জানান, দুর্ঘটনায় আহত হলে সমঝোতায় শেষ হয়। ভুক্তভোগীরাও থানা পুলিশ পর্যন্ত পা বাড়ান না। বড় রকমের ঘটনা ঘটলেই তা জানাজানি হয়। এরকমই ঘটনা ঘটেছিল ২০১৫ সালের ১২ই অক্টোবরে। ওইদিন ঢাকার গুলশানের ৭৪ নম্বর সড়কে দুই বন্ধুর কার রেসিংয়ের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একজন রিকশাচালক ও যাত্রী আহত হন। নিহত হয় রিকশায় মায়ের কোলে থাকা তিন বছরের এক শিশু। গাড়ি চালকের আসনে ছিল সাবেক এক এমপির ভাতিজা ফারিজ রহমান (১৭)।

বিষয়টি উল্লেখ করে আদালতে রিট করেছিলেন কয়েকজন আইনজীবী। কিন্তু পুলিশ ফারিজকে আটকের পরও থানা থেকে ছেড়ে দেয়। ওই শিশু হত্যার ঘটনায়ও কোনো মামলা হয়নি। বরং পুলিশ জানায়, দুটি ভিন্ন দুর্ঘটনা। এ বিষয়ে গুলশান সোসাইটির সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলাল বলেন, রাতের বেলায় বিকট শব্দে গাড়িগুলো রাজপথ কাঁপায়। বড়লোকের বিপথগামী ছেলেরা এসব করে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে সবসময়ই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চাই আমরা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে পুলিশের কিছু করার থাকে না। বখে যাওয়া এসব তরুণের পক্ষে অনেক উপর থেকে তদবির করা হয় বলে জানান তিনি। এসব কারণেই দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো বা রেসিং কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

সূত্র: মানবজমিন

বা‌ণিজ্য মেলায় ক্রেতার চে‌য়ে দর্শনার্থীই বে‌শি

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জা‌তিক স‌ম্মেলন কে‌ন্দ্রে রপ্তা‌নি উন্নায়ন ব্যু‌রো আ‌য়ো‌জিত মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জা‌তিক বা‌ণিজ্য মেলায় বেলা পড়ার সা‌থে সা‌থে মেলায় বাড়‌ছে দর্শনার্থী।লম্বা লাই‌নে দাঁড়িয়ে টি‌কিট কে‌টে মেলায় প্র‌বেশ ক‌রেও মেলার ভির থে‌কে হাফ ছাড়ার উপাই নাই ক্রেতা দর্শনার্থী‌দের। এ‌তো ধাক্কা ধাক্কি-ঝামেলা পেরিয়ে মেলায় যাওয়া মানুষগুলো যখন বাসায় ফিরে, তখন বেশিরভাগেরই দু’হাত থাকে খালি। যেভাবে আসেন, সেভাবেই ফেরেন তারা। এতে , হতাশ বিক্রেতারা।

তারা বলছেন, মেলায় দর্শনার্থীই বেশি, ক্রেতার সংখ্যা কম।স্টলে বা প্যাভিলিয়নে যত ক্রেতা ঢুকেন, তার ৯০ ভাগই পন্য দে‌খেন আর দাম শু‌নেন কিন্তু কি‌নে না কোন কিছু! প্রথম সপ্তাহে ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতিও ছিল কম। তবে দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মেলামুখী মানুষের ঢল অনেক বেড়েছে। তবে বিক্রি অনেক কম হওয়ায় বিক্রেতাদের মধ্যে হতাশাটাই দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবা‌রেও(১৭ জানুয়ারি) দিনভর মেলা প্রাঙ্গণে ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়। বিক্রেতারা জানান, মানুষের এই ভিড় শুধুই মেলা দেখা বা পণ্য দেখার জন্য। আগতদের বেশিরভাগই আসছেন বিনোদনের জন্য ঘুরতে। অন্যদিকে দর্শনার্থীরা বলছেন, ঢাকার মার্কেটে পাওয়া যায় না, এমন পণ্য মেলায় নেই। ফলে স্টল কিংবা আকর্ষণীয় প্যাভিলিয়নে রাখা পণ্য তাদের আকৃষ্ট করতে পারছে না। তাছাড়া, মেলায় বিভিন্ন পণ্যের দাম ঢাকার মার্কেটগুলোর চেয়ে ঢের বেশি। এ কারণেই পণ্য কেনার বদলে মেলা ঘুরে উপভোগ করাই শ্রেয় মনে করছেন তারা।

মেলার টিকিট ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মীর শহিদুল আলম জানান, সোমবার ও মঙ্গলবার মিলিয়ে মেলায় প্রায় ৫০ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। মেলা শুরুর পর প্রথম শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) ৮৫ হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। আর দ্বিতীয় শুক্রবার মেলায় প্রবেশ করেছে লাখেরও বেশি মানুষ। তবে বিক্রেতারা বলছেন, এতো মানুষ মেলায় ঢুকলেও ১০ ভাগেরও কম কেনার উদ্দেশ্যে মেলায় আসছেন। ভিড়ের চিত্র যেমনই হোক বিক্রি একদমই ভিন্ন।

মেলার বিভিন্ন স্টল আর প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখা গেলো বেশিরভাগ স্টল বা প্যাভিলিয়নেই দর্শনার্থীদের ভিড়। সবাই নানা পণ্য নেড়েচেড়ে দেখছেন। তবে তাদের বেশিরভাগই ফিরছেন খালি হাতে। বেশিরভাগই বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিজনসহ শুধু ঘুরছেন আর দেখছেন।
মেলায় বিক্রি কেমন? এ প্রশ্নে চেহ‍ারায় হতাশার ছাপ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে এম এস সিনথিয়া হ্যান্ডলুমের ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম তারিকের। তিনি বলেন, এবারের মেলায় বেচা-বিক্রি একেবারেই কম। তাঁতের শাড়ি কেউ কিনতেই চায় না। গতবছরের তুলনায় এ বছর শাড়ি প্রতি দাম ১শ’ থেকে ২শ’ টাকা কমিয়ে দিয়েছি। তারপরও ক্রেতা নেই বললেই চলে। এবার মেলায় স্টল নিয়ে মনে হয় বড় ধরনের লোকসানে পড়তে হবে।

মেলায় অংশ নেওয়া কুমিল্লা স্টোরে শাল বিক্রি করছেন মোজাম্মেল হক। তিনি জানান, মেলা জমে উঠলেও ব্যবসা জমেনি। দিনের বেশিরভাগ সময়ই ক্রেতার অভাবে বসে থাকতে হয়। সন্ধ্যার দিকে ভিড় থাকলেও -বিক্রি সুবিধার হয় না। তবে শুক্রবার-শনিবার মোটামুটি বিক্রি ভালো ছিল বলেও জানালেন তিনি।

অন্যথায় ব্লেজার বি‌ক্রেতা ছাইফুল জানান, গত বছর এ সময় জমজমাট বিক্রি ছিল। এ বছর সবাই দেখে দেখে চলে যায়। কেউ আবার দরদাম করে। কিন্তু কিনতে আসাদের সংখ্যা তুলনা মূলক ভাবে অনেক কম। তবে ভিন্ন চিত্রও দেখা গেছে, প্লাস্টিক পণ্য, অ্যালুমিনিয়ামের গৃহস্থালি (ক্রোকারিজ), ইমিটেশনের গয়না, কসমেটিকসের স্টলগুলোতে। এসব স্টলে ক্রেতাদের ভিড় যেমন বেশি, বিক্রিও সন্তোষজনক।

দিল্লি অ্যালুমিনিয়ামের ইনচার্জ ইয়াসিন গনি জানান, এখন পর্যন্ত আশানুরূপ বিক্রি হয়েছে। আসছে দিনগুলোতে ব্যবসা আরও ভালো হবে বলেও আশাবাদী তিনি। বিদেশি প্যাভিলিয়নগুলোর প্রতি দর্শনার্থীদের আগ্রহটা বরাবরই একটু বেশি থাকে। এবারও তাই। তবে ছোট আকারের থাইল্যান্ড-তুরস্ক কিংবা মালয়েশিয়ার প্যাভিলিয়নগুলোতে চোখে পড়ার মতো ভিড় দেখা যায়নি।

মেলা থেকে বের হওয়ার পথে দেখা হ‌লো স্বস্ত্রীক মেলায় আসা মামু‌নের সা‌থে তার দু হাত খা‌লি দে‌খে প্রশ্ন করলাম । কিছু কিনলেন না কেন- এ প্রশ্নে সোজাসাপ্টা উত্তর মামু‌নের ‘মেলায় দাম বেশি। এর থেকে কম দামে নিউ মার্কেট কিংবা হকার্স মার্কেটেই পাওয়া যায়। মেলায় এসেছি শুধু দেখতে আর ঘুরতে।’

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য মতে, মেলায় ছোট-বড় স্টল আর প্যাভেলিয়ন রয়েছে ৫৬৮টি। বাংলাদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ভারত, চীন, মালয়েশিয়া, হংকং, ইরান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তানসহ এশিয়া, উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপ মহাদেশের ১২টি দেশ এবারের মেলায় অংশ নিয়েছে।

পল্টনে পুলিশের সঙ্গে হকারদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে

উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর পুরানা পল্টনে পুলিশের সঙ্গে হকারদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার চলছে।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে এ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

এই মহূর্তে পুলিশ আন্দোলনরত হকারদের হটাতে টিয়ারশেল ও কাঁদুনে গ্যাস ছুড়ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। হকাররাও ইট-পাটকেল ছুড়ে পাল্টা জবাব দিচ্ছে।

স্থানীয় লোকজন ব্রেকিংনিউজকে জানায়, দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান মোহাম্মদ নাজমুদ সোহেব হকারদের উচ্ছেদে করতে গেলে গার্মেন্ট-শ্রমিক-ট্রেড ইউনিয়ন নেত্রী জলি তালুকদার ম্যাজিস্ট্রেটকে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করতে বলেন।

এ সময় সরকারি কাজে বাধা না দিতে জলি তালুকদারকে অনুরোধ করেন ওই ম্যাজিস্ট্রেট।

এরই এক পর্যায়ে হকাররা পুলিশের ওপর চড়াও হলে পুলিশ তাৎক্ষণিক পিছু হটতে বাধ্য হয়। কিন্তু পরক্ষণেই পাল্টা আক্রমণ করে পুলিশ।

এ সময় হকাদের ইট-পাটকেলের আঘাতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। তবে এখন পর্যন্ত বড় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে।

এদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান মোহাম্মদ নাজমুদ সোহেব ব্রেকিংনিউজকে বলেন, ‘গতকালের মতো আজকেও আমরা শান্তিপূর্ণভাবে হকার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করি। উচ্ছেদ অভিযানের এক পর্যায়ে পল্টন মোড়ে আসলে ট্রেড ইউনিয়ন নেত্রী জলি তালুকদার আমাদের বাধা দেয়। তাদের সরে যেতে বললে তার নেতৃত্বে আমাদের ওপর হকাররা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। আমরা আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছি। হকার উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত আছে।’

-ব্রেকিংনিউজ

হলি আর্টিজানের নতুন যাত্রা

আগের মতো খোলা জায়গা এবং মনোরোম পরিবেশ নেই। একটি সুপার শপের সাথে অর্ধেক জায়গা ভাগ করে নিয়েছে আলোচিত ক্যাফেটি।
ক্যাফের মালিকরা বলছেন, জঙ্গি হামালার পর তারা চেষ্টা করেছেন যত দ্রুত সম্ভব নতুন জায়গায় এটি পুনরায় চালু করার। স্বল্প পরিসরেও গত দু’দিন ভালোই চলছে এটি।

অন্যতম মালিক আলী আর্সলান বলেন, ” কয়েকদিন আগে একজন রাষ্ট্রদূত লাঞ্চ টাইমে তার অ্যাম্বেসি থেকে হেঁটে এখানে এসেছেন। সামনে পুলিশ চেকপোস্ট আছে এবং পাশে থানা আছে।” গত জুলাই মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলায় হলি আর্টিজান ক্যাফেতে ১৭জন বিদেশী নাগরিকসহ ২২জনকে হত্যা করা হয়েছিল।

নতুনভাবে হলি আর্টিজান খুলতে না খুলতেই পুরনো কাস্টমাররা ভিড় করছেন। দেশী কাস্টমারা যেমন আসছেন, তেমনি দলে-দলে বিদেশী কাস্টমারাও আসছেন এখানে। নতুন এ জায়গায় সবোর্চ্চ ২০ জন একসাথে বসতে পারে। অনেক সেখানে খাবার খাচ্ছেন, আবার অনেকে খাবার বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে বসবাসরত বিদেশী নাগরিকদের অনেকেই শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন। হলি আর্টিজানের পুরনো জায়গায় প্রায়ই যেতেন জার্মান নাগরিক ক্রিশ্চিয়ান সেইজার। নতুন হলি আর্টিজানকে তিনি শুভেচ্ছা জানাতে এসেছেন।

সেইজার বলেন, ” একটা মর্মান্তিক ঘটনার পর তারা আরো শক্তি পেয়েছে। সন্ত্রাসবাদ ঢাকা শহরে এরকম চমৎকার কোন জিনিসকে থামিয়ে রাখতে পারবে না।” হলি আর্টিজান এবং জঙ্গি হামলা – এ দু’টি শব্দ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সমার্থক হয়ে উঠেছিল।

একসাথে ১৭জন বিদেশী নাগরিককে হত্যার ঘটনা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ইমেজকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল। সেজন্য হলি আর্টিজান পুনরায় চালু হওয়ার অর্থ শুধুই একটি রেস্টুরেন্ট চালু হওয়া নয়। বাংলাদেশের ইমেজের জন্য এটি একটি প্রতীকি বিষয় বলে মনে করেন বাংলাদেশী নাগরিক ইলিনা ফারুক। তিনি আশা করেন, হলি আর্টিজানে হামলার মতো কোন ঘটনা বাংলাদেশে আর কোনদিন ঘটবে না।

যে জায়গাটিতে জঙ্গি হামলা হয়েছিল সেখানে আর ফিরে যাবেনা হলি আর্টিজান ক্যাফে। সেখানে আবাসিক ভবন নির্মান করা হবে বলেন জানিয়েছে মালিকপক্ষ। হলি আর্টিজানের মালিক এবং শুভাকাঙ্খিরা মনে করেন, জঙ্গি হামলার সকল ভয় দূরে ঠেলে দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া হবে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় লড়াই

কর্মদিবসে গুলিস্তান-মতিঝিলে হকার নিষিদ্ধ

রাজধানীর গুলিস্তান ও মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকার ফুটপাতে প্রতি কর্মদিবসের সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হকার নিষিদ্ধ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, ‘যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের সুবিধার্থে আগামী রবিবার থেকে দিনের বেলায় গুলিস্তান ও আশপাশের এলাকার ফুটপাতে কোনও হকার বসতে পারবে না। তবে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার পর বসতে পারবে।’

সিটি করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় নগরভবনে বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় মেয়র একথা বলেন। মতবিনিময়ের বিষয় ছিল- গুলিস্তান ও আশপাশের এলাকা হকারমুক্ত করা। সভায় হকার নেতা, জনপ্রতিনিধি ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা অংশ নেন।

মেয়র বলেন, ‘আমরা গুলিস্তান, মতিঝিল, পল্টনসহ আশপাশের এলাকার ফুটপাতও হকারমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।আগামী রবিবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটরা কাজ করবেন।ঢাকা মহানগর পুলিশ এতে সহযোগিতা দেবে।’ মেয়র বলেন, ‘হকারদের কাছ থেকে যারা চাঁদাবাজি করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।’

মতবিনিময় সভায় হকার নেতারা সাধারণ হকারদের পুনর্বাসন দাবি করেন। তারা বলেন,সিটি করপোরেশন যে হলিডে মার্কেট করে দিতে চায়, সেখানে ব্যবসা করে তাদের পোষাবে না। গুলিস্তান ও মতিঝিলের ফুটপাতেই তারা বসতে চান এবং এ জন্য পরিচয়পত্র দাবি করেন তারা।

বাংলাদেশ হকার্স ফেডারেশনের সভাপতি এমএ কাশেম বলেন, ‘লাইনম্যান নামধারী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে। সবাই এদের চিনলেও প্রশাসন ব্যবস্থা নেয় না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা হলিডে মার্কেট চাই না। যে মার্কেট যেদিন বন্ধ থাকে সেই এলাকায় আমরা সেদিন বসতে চাই। হকারদের পরিচয়পত্র দেওয়া হোক ।’

বাংলাদেশ জাতীয় হকার্স লীগের সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেন, ‘রাজধানীতে ৮-৯ লাখ হকার রয়েছেন। এরা গরীব। তাই সরকারি জমিতে এদের পুনর্বাসন করা হোক।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (ট্রাফিক) মফিজ উদ্দিন আহমেদ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এমন দাবি করে বলেন, ‘হকারদের একটা নীতিমালায় আনা দরকার।’

সভায় অংশ নেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবদুল ওয়াহাব ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ছিন্নমূল হকার লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন মজুমদার, জাতীয় হকার্স ফেডারেশনের সভাপতি আরিফ চৌধুরী প্রমুখ।

-বাংলা ট্রিবিউন

অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে ছাত্রীর আত্মহত্যা

মায়ের সঙ্গে অভিমান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মোহসীনা মেধা নামে ওই ছাত্রী ঢাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আজ বুধবার ভোর চারটায় রাজধানীর ফার্মগেটের পূর্ব নাখালপাড়ার একটি বাসায় তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ওই বাসায় মোহসীনামেধা বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন বলে জানা গেছে। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) এম আমজাদ আলী বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ ওই ছাত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়েছে বলে আমাকে জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এহসানুল হক বলেন, আমরা অফিসিয়ালি এখনো কিছু জানতে পারিনি। তবে বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী মেধা নামে এক ছাত্রী পারিবারিক সমস্যার কারণে আত্মহত্যা করেছে বলে আমাকে জানিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীর এক বান্ধবী বলেন, বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। আমি তাদের বাসায় গিয়েছিলাম। ওর আম্মু বলছিলেন, রাত দুটোর সময় এসে দেখি মেধা মোবাইল টিপছিলো, তিনটার সময় এসেও দেখি মোবাইল টিপতে। তখন আমি বকাবকি করি। পরে রাত চারটার সময় এসে দেখি মৃত। এই টুকু বকাবকিতে অভিমান করে মেয়েটি আত্মহত্যা করলো এই কথা বলে ওর মা বিলাপ করছিলেন।

উৎসঃ kalerkantho

সচিবালয় এলাকায় চলছে বেওয়ারিশ কুকুর ধরার অভিযান

সরকারের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দফতর বাংলাদেশ সচিবালয়ের সামনে এবং আশেপাশের এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের ‍উপদ্রব বেড়ে গেছে। এতে সেখানকার স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এরকম অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল থেকে সেখানে বেওয়ারিশ কুকুর ধরার কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে বেওয়ারিশ কুকুর ধরার অভিযান চালাচ্ছে।

ডিএসসিসির ভেটেরেনারি কর্মকর্তা ডা. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন সচিবালয়ের ক্যান্টিনের সামনে এসব বেওয়ারিশ কুকুর ঘোরাঘুরি করছে। তাছাড়া এসব কুকুরের উপদ্রবে এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাভাবিক চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে।

তিনি আরও জনান, আগামীকাল বুধবারও কুকুর ধরার কর্মসূচি চলবে। এসব কুকুর ধরে অন্য কোথাও নিয়ে গিয়ে সেগুলোকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ ভ্যাকসিন দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে।

তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিশেষভাবে নির্মিত নেট দিয়ে ১০টি কুকুর ধরতে সক্ষম হয়েছে।

– বাংলা ট্রিবিউন

বনানীর বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর বনানীর বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

সোমবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ওই ভবনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের নয়টি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় পৌনে ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার এনায়েত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।